এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
গতকাল বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী শোয়ে সন হুই মার্কিন সেনা বাড়ানোর বিষয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ওই দিনই উত্তর কোরিয়া স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।

গত রোববার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা কম্বোডিয়ায় বৈঠক করেন। এরপরই এ ঘটনা ঘটল।

গত দুই মাসে উত্তর কোরিয়া ৫০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এগুলোর বেশির ভাগই ছিল স্বল্পপাল্লার। এ ধরনের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উত্তর কোরিয়া সচরাচর উৎক্ষেপণ করে না। উত্তর কোরিয়ার ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের যেকোনো জায়গায় আঘাত হানতে সক্ষম। এটি নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড বহন করতে পারে। এসব কারণে এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকে সরাসরি হুমকি মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসুকাজু হামাডা বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রটির যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর মতো সক্ষমতা ছিল।

থাইল্যান্ডে অবস্থানরত জাপানের প্রধানমন্ত্রী কিশিদা সাংবাদিকদের বলেন, ‘পিয়ংইয়ংকে বলে দিয়েছি আমরা এ ধরনের আচরণ সহ্য করব না।’

নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পিয়ংইয়ং ২০০৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ছয়টি পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়েছে। সপ্তম পরীক্ষা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেছে পশ্চিমা বিশ্ব।