দ্য গার্ডিয়ান-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার অনানুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর উদ্যোগ নেয় ওয়াশিংটন। চীনের কূটনীতিক দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার পথ বন্ধ করেছিল। সেই আলোচনার পথ আরও খোলা দরকার।

এর আগে গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু্বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি বলেন, চীন যদি তাদের কার্বন নিঃসরণ আরও তিন দশক চালিয়ে যায়, তবে ক্ষতিপূরণ তহবিলে নিজস্ব তহবিল জোগানো উচিত। গতকালের সম্মেলনে কেরি ও শি এ বিষয়ে কথা বলেননি।

শি বলেন, ‘আমাদের সক্রিয় ও গঠনমূলক আচরণ ছিল। গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে জলবায়ুবিষয়ক আলোচনা বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে কপ-২৬ সম্মেলনে জলবায়ু বিষয়ে দুই দেশ পারস্পরিক সহযোগিতায় সম্মত হয়েছিল।

এদিকে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় পদক্ষেপের দাবিতে মিসরের শার্ম-আল শেখের জলবায়ু সম্মেলন কেন্দ্রের কাছে বিক্ষোভ করেছেন পরিবেশবাদীরা।