থাইল্যান্ডে নির্বাচনে জয়ের দাবি রক্ষণশীল দলের

থাইল্যান্ডের বুরিরাম প্রদেশের একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট দিচ্ছেন একজন বয়স্ক নারী। তিনি ব্যালট বাক্সে হলুদ রঙের ব্যালট পেপার ফেলছেন। হলুদ রঙের ব্যালট সংবিধান প্রশ্নে গণভোটের জন্য। ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ছবি: রয়টার্স

থাইল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে জয় দাবি করেছেন দেশটির রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল। গতকাল রোববার এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাশাপাশি সংবিধান সংশোধনের প্রশ্নে এদিন গণভোট হয়েছে। দেশটির টেলিভিশন চ্যানেলগুলোও অনুতিনের দল ভুমজাইথাই পার্টির বড় জয়ের পূর্বাভাস দিয়েছে।

থাইল্যান্ডের ৫০০ সদস্যের পার্লামেন্টে ৪০০ সদস্য নিজ এলাকার প্রতিনিধি হিসেবে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। গতকাল ভোট গণনা শুরুর পর রাজধানী ব্যাংককে দলের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের অনুতিন বলেন, ‘আমরা সম্ভবত নির্বাচনে প্রথম স্থান অর্জন করতে যাচ্ছি। আপনারা আমাদের ভোট দিন আর না দিন, আজকের (রোববার) জয় থাইল্যান্ডের সবার।’

থাইল্যান্ডের সম্প্রচারমাধ্যম চ্যানেল ৩–এর খবরে গতকাল বলা হয়, পার্লামেন্টে প্রায় ২০০ আসন পেতে পারে ভুমজাইথাই পার্টি। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রগতিশীল পিপলস পার্টি। তারা পেতে পারে ১০০টির সামান্য কিছু বেশি আসন। আর সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার দল ফেউ থাই পার্টি রয়েছে তৃতীয় অবস্থানে।

শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে জয় পেলে অনুতিনের এই ঘুরে দাঁড়ানোটা হবে বেশ চমকপ্রদ। গত নির্বাচনে তাঁর দল তৃতীয় অবস্থানে ছিল। আদালতের নির্দেশে ফেউ থাই পার্টির দুই প্রধানমন্ত্রীকে পদচ্যুত করা হলে গত বছরের সেপ্টেম্বরে এই পদে আসেন অনুতিন। এদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণার আগে গতকাল পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছেন পিপলস পার্টির নেতা নাথাফং রুয়েংপানইয়াউত।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছবি: রয়টার্স

২০১৪ সালে শেষবার সেনা অভ্যুত্থানের পর থাইল্যান্ডে পাঁচ বছর জান্তা শাসন চলে। সে সময় সেনা সরকারের রচিত সংবিধান কার্যকর হয়। গতকালের গণভোটে ওই সংবিধান সংস্কারের পক্ষে ৬০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।