রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদ বলেছে, সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার ব্যাপারে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে যৌথ সামরিক মহড়ার সঙ্গে সঙ্গে সামরিক বাহিনীর জেনারেল পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যেই যোগাযোগ আরও বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেওয়া হবে।  

নিরাপত্তাসংক্রান্ত আলাপ-আলোচনার বিষয়ে রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি নিকোলাই পত্রুশ্চেভ এখন চীন সফরে রয়েছেন। এই সফরে তিনি চীনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এই মুহূর্তে মস্কোর পক্ষ থেকে বেইজিংয়ের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়গুলো আরও জোরদার করার ঘোষণা দেওয়া হলো।  

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় রাশিয়া ও চীনের মধ্যে মিত্রতার সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। দুই দেশের মিত্রতার এই সম্পর্কের কোনো সীমা নেই বলে জানিয়েছে চীন ও রাশিয়া। উজবেকিস্তানে এসসিও আঞ্চলিক সম্মেলনের ফাঁকে গত সপ্তাহে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও চীনের প্রেসিডেন্টের বৈঠকেও মিত্রতা জোরদারের কথা বলা হয়।

তবে উজবেকিস্তানের সমরখন্দে এসসিও শীর্ষ সম্মেলনের আগে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে পুতিন বলেন, ইউক্রেন ইস্যুতে বেইজিংয়ের এমন ‘ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান’কে রাশিয়া গুরুত্বসহকারে দেখছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আরও বলেছেন, চীনের ‘এক চীন’ নীতিকে সমর্থন করে রাশিয়া।

গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ওই অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। কিন্তু এ সময় পশ্চিমা দেশগুলোর পথে না হেঁটে ভারসাম্যমূলক নীতি বজায় রেখেছে চীন।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন