সিসিপি কখনো তাইওয়ানে শাসন জারি করেনি। গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর তাইওয়ান কার্যত একধরনের স্বাধীনতা উপভোগ করেছে। ১৯৮০–এর দশকে এসে কয়েক দশকের সামরিক আইনের অবসান হওয়ার পর তাইওয়ান অবাধ নির্বাচন ও মুক্ত গণমাধ্যমবিশিষ্ট স্বতঃস্ফূর্ত গণতন্ত্রের অঞ্চলে পরিণত হয়।

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় পিপল’স লিবারেশন আর্মি তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চলে শত শত যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে। তাইওয়ানও তাদের সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়নের কাজ করছে। সি এবং সিসিপিকে মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বিপুলসংখ্যক সামরিক সরঞ্জাম ও অস্ত্র কিনছে তাইওয়ান।

অঞ্চলটির প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন বলেছেন, তাইওয়ান এমনিতেই সার্বভৌম দেশ, এখানে স্বাধীনতা ঘোষণার প্রয়োজন নেই। তবে তাইওয়ানে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে বিচ্ছিন্নতাবাদী হিসেবে বিবেচনা করে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন