প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতায় সম্মত যুক্তরাজ্য–জাপান

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার (বাঁয়ে) ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি গতকাল টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যৌথ সংবাদ সম্মেলনের পর করমর্দন করেনছবি: এএফপি

প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক খাতে যৌথভাবে কাজ করতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাজ্য ও জাপান। জাপান সফররত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার গতকাল শনিবার এ কথা বলেন।

টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন স্টারমার। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, ‘আমরা ভবিষ্যতে আরও গভীর অংশীদারত্ব গড়ে তোলার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছি। এর মধ্যে ইউরো-আটলান্টিক ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে আমাদের যৌথ নিরাপত্তা শক্তিশালী করার জন্য একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ও রয়েছে।’

এ বিষয়ে তাকাইচি বলেছেন, চলতি বছর দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের একটি বৈঠক আয়োজনের বিষয়ে সম্মত হয়েছেন তাঁরা। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৈশভোজে স্বাধীন ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক গড়ে তোলা, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি এবং ইউক্রেনের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। চার দিনের চীন সফর শেষে গতকাল এক দিনের সফরে টোকিও পৌঁছান স্টারমার।

এর আগে ফ্রান্স, কানাডা ও ফিনল্যান্ডের নেতারা বেইজিং সফর করেন। মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলে নেওয়া ইচ্ছা ও এর বিরোধিতাকারী ন্যাটো মিত্রদের বিরুদ্ধে তাঁর শুল্ক আরোপের হুমকিতে হতাশ হয়ে তারা চীনের দিকে ঝুঁকছেন। সর্বশেষ স্টারমারের চীন সফর নিয়ে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, চীনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক রাখা অত্যন্ত বিপজ্জনক।

গত নভেম্বরে তাকাইচি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তাইওয়ানে কোনো হামলা হলে জাপান সামরিকভাবে তাতে জড়িয়ে পড়তে পারে। এর পর থেকে টোকিও ও বেইজিংয়ের সম্পর্কের অবনতি হয়। তাকাইচি বলেন, অর্থনৈতিক

নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার সময় সরবরাহশৃঙ্খলা শক্তিশালী করার বিষয়ে দুই নেতা সম্মত হয়েছেন। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থও রয়েছে, যা খুবই জরুরি।