বিক্ষোভকারীরা প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিকান্দার সুলতান রাজার পদত্যাগের দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ডও বহন করছিলেন। কিছু ব্যানারে ‘পক্ষপাতদুষ্ট প্রধান নির্বাচন কমিশনার অগ্রহণযোগ্য’ ও ‘ইসিপি পিএমএল-এন, পিপিপির প্ররোচনাকারী’ প্রভৃতি স্লোগান লেখা ছিল। তবে ইসিপি দপ্তরের দিকে এগোলে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ফটকে থামিয়ে দেয়।

ইসলামাবাদ ছাড়াও পিটিআই আইনপ্রণেতারাও করাচি ও লাহোর ইসিপি অফিসের বাইরে বিক্ষোভ করেন।

পিটিআই অবৈধ উৎস থেকে অর্থ নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে বলে গত মঙ্গলবার দেশটির নির্বাচন কমিশন (ইসিপি) রায় দেন। কেন এসব অর্থ জব্দ করা হবে না—দলটিকে তার কারণ ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দিয়ে কমিশন রুল জারি করেছে।

তবে পিটিআই আইনপ্রণেতা এবং নেতা–কর্মীরা নির্বাচন কমিশনের রায়কে অসাংবিধানিক, অগণতান্ত্রিক এবং পক্ষপাতদুষ্ট হিসেবে উল্লেখ করছেন। পিটিআইয়ের আইনপ্রণেতারা রাজার বিরুদ্ধে স্মারকলিপি জমা দেন। স্মারকলিপিতে বলা হয়, সাধারণ এবং উপনির্বাচনে প্রাপ্ত ভোট অনুসারে পিটিআই পাকিস্তানের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল। সিইসি রাজার নেতৃত্বে ইসিপি গত আট বছর ধরে পিটিআইয়ের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট মনোভাব গ্রহণ করেছে। পিটিআইয়ের নিষিদ্ধ তহবিল মামলায় ইসিপির ২ আগস্টের রায় আইনের পরিপন্থী। পিটিআইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে এ রায় দেওয়া হয়েছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন