বিমান হামলায় নিহত সাত শিশুর লাশ নিয়ে যান জান্তা সেনা। এ ছাড়া আহত ব্যক্তিদের পার্শ্ববর্তী এলাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়।

জান্তার তথ্য মন্ত্রণালয় বলছে, গ্রামটিতে কাচিন ইন্ডিপেনডেনস আর্মি (কেআইএ) ও প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সেনারা অভিযান শুরু করেছেন। হামলার আগে প্রতিরোধযোদ্ধারা ও ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির ‘চরমপন্থীরা’ স্কুলটিতে লুকিয়ে ছিলেন।

জান্তার বিরুদ্ধে লড়াই করছে পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস (পিডিএফ)। পিডিএফের নেতা বো কিয়ার গি বলেন, ‘তারা (জান্তা) যদি আমাদের কাউকে মারত, তাহলে তা মেনে নিতাম। কারণ, আমরা তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছি। কিন্তু তারা স্কুলের শিশুদের হত্যা করেছে। এটি অগ্রহণযোগ্য।’

জান্তা বলছে, কেআইএ ও প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো স্থানীয় বাসিন্দাদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে।

জান্তার হামলার পর সাগাইংসহ আশপাশের অঞ্চলের অন্য স্কুলগুলোয় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন