বিগত বছরগুলোয় ভূমিকম্পে বেশ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে নেপাল। এর মধ্যে ২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিল কাঠমান্ডু ও পোখার শহরের মাঝামাঝি এলাকায় ৭ দশমিক ৮ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়। এতে নিহত হয়েছিল ৮ হাজার ৯৬৪ জন। আহত হয়েছিল প্রায় ২২ হাজার মানুষ। ভূমিকম্পের পর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল কাঠমান্ডুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

শক্তিশালী ওই ভূমিকম্পের নাম দেওয়া হয় ‘গোরখা’। সেটির তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে পাকিস্তানের লাহোর, তিব্বতের লাসা, বাংলাদেশের ঢাকা ও ভারতের উত্তরাঞ্চলের বেশ কয়েকটি শহরে কম্পন অনুভূত হয়েছিল। ভূমিকম্পে হিমালয়ের এভারেস্ট পর্বতশৃঙ্গে ধস নামে। এতে ২২ জনের মৃত্যু হয়।

এরপর ওই বছরের ১২ মে নেপালে আরেকটি ভূমিকম্পে দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হয় ২ হাজার ৫০০ জনের বেশি। ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল কাঠমান্ডু ও এভারেস্টের মধ্যবর্তী চীন সীমান্তের কাছে।

এর আগে নেপালে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল ১৯৩৪ সালে। রিখটার স্কেলে ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৮। এতে দেশটির কাঠমান্ডু, ভক্তপুর ও পাটান শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন