জ্বালানি নিয়ে ‘আসন্ন বিপদ’: জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করল ফিলিপাইন

ফিলিপাইনের ম্যানিলার কুইজন সিটিতে প্রতিনিধি পরিষদে চতুর্থ ‘স্টেট অব দ্য নেশন’ ভাষণ দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র। ২৮ জুলাই ২০২৫ছবি: রয়টার্স

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলা যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কায় ফিলিপাইনে ‘জাতীয় জ্বালানি জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করা হয়েছে।

ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র গতকাল মঙ্গলবার এ জরুরি অবস্থার ঘোষণা দেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, দেশের জ্বালানি সরবরাহের প্রাপ্যতা ও স্থিতিশীলতা বর্তমানে ‘আসন্ন বিপদের’ মুখে রয়েছে।

আগামী এক বছরের জন্য জারি করা এ জরুরি অবস্থার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বিশ্ব জ্বালানিবাজার ও সরবরাহব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করছে। এর ফলে জ্বালানি তেলের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির জ্বালানিনিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রেসিডেন্ট মার্কোস জুনিয়র বিশেষ কমিটি গঠন করেছেন। কমিটি জ্বালানি তেল, খাদ্য, ওষুধ, কৃষিপণ্যসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সরবরাহ ও বণ্টন নিশ্চিত করবে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রেসিডেন্ট মার্কোস জুনিয়র বিশেষ কমিটি গঠন করেছেন। কমিটি জ্বালানি তেল, খাদ্য, ওষুধ, কৃষিপণ্যসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সরবরাহ ও বণ্টন নিশ্চিত করবে।

গৃহীত পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে:

—জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর ব্যবস্থা কার্যকর করা।
—পরিবহন খরচ কমাতে জ্বালানিতে ভর্তুকি ও অন্যান্য উদ্যোগ গ্রহণ।
—জ্বালানি তেল মজুতদারি, অতিরিক্ত মুনাফা করা ও বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।

এ ছাড়া তেলের ক্রমবর্ধমান দামের সঙ্গে মানিয়ে নিতে মোটরসাইকেল, ট্যাক্সিচালক ও পরিবহনকর্মীদের জন্য ৫ হাজার পেসো (প্রায় ৮৩ ডলার) করে সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কোস।

এ উদ্যোগের পাশাপাশি কৃষক, জেলে ও অন্যান্য শ্রমজীবী মানুষের জন্যও বিশেষ কল্যাণমূলক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।