প্রসঙ্গত, দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্টকে নিয়ে এই প্রথম মন্তব্য করেছেন কিম।
১৯৫০-১৯৫৩ সাল পর্যন্ত কোরীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ১৯৫৩ সালের ২৭ জুলাই মার্কিন নেতৃত্বাধীন জাতিসংঘের বাহিনী, উত্তর কোরিয়া ও চীনের মধ্যে অস্ত্রবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। উত্তর কোরিয়া দিনটিকে ‘পিতৃভূমিতে বিজয়’ হিসেবে উদ্‌যাপন করে থাকে।

বক্তৃতায় কিম জং–উন বলেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পুরোপুরি প্রস্তুত। পারমাণবিক যুদ্ধ প্রতিরোধেও বিশ্বস্ততার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে নিজেদের সর্বোচ্চ শক্তিকে সঠিকভাবে একত্র করে যেকোনো মিশনের জন্য প্রস্তুত।’

২০১৭ সালের পর এই প্রথম পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে উত্তর কোরিয়া—সিউল ও ওয়াশিংটনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের এমন মন্তব্যের পর কিম জং-উন এসব কথা বলেন।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন