অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেন, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ রয়েছে। তাই তাদের কাছে জেট ফুয়েল সরবরাহের কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না।

গত বছরের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে বিমান হামলা চালাচ্ছে জান্তা সরকার। এর জেরে বেসামরিক অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। প্রাণে বাঁচতে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন অনেকে। যদিও জান্তা সরকারের দাবি, বেসামরিক লোকজনকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয় না। এগুলো ‘সন্ত্রাসীদের’ হামলার পাল্টা জবাব।

অ্যামনেস্টির এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ২০১৫ সাল থেকে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পুমা এনার্জি মিয়ানমারে সবচেয়ে বেশি জেট ফুয়েল সরবরাহ করেছে। পাশাপাশি এই জ্বালানি সরবরাহের সঙ্গে আরও কয়েকটি বিদেশি প্রতিষ্ঠান জড়িত।

এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে অ্যামনেস্টি বলেছে, ‘মিয়ানমারের বিমানবাহিনীকে জেট ফুয়েল সরবরাহ না করতে এই জ্বালানির সরবরাহকারী, পরিবহনকারী ও জাহাজের মালিকদের কাছে আমরা অনুরোধ করছি।’

এদিকে ২০১৮ সালে সু চি সরকারের আমলে রাশিয়ার তৈরি ছয়টি সুখোই সু-৩০এস যুদ্ধবিমান কিনেছিল দেশটি। ওই যুদ্ধবিমানগুলোর চালান মিয়ানমারে পৌঁছাতে শুরু করেছে। গতকাল শুক্রবার মিয়ানমার উইটনেস নামের একটি পর্যবেক্ষক সংস্থা জানিয়েছে, রাজধানী নেপিডোয় যুদ্ধবিমানগুলোর অন্তত একটি এসেছে বলে জানতে পেরেছে তারা।