এবারের নির্বাচনে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ। এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নেপালের পার্লামেন্টের ২৭৫ জন সদস্য এবং ৭টি প্রাদেশিক পরিষদের ৫৫০ জন সদস্যকে বেছে নেবেন ভোটাররা। ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট (এফপিটিপি) এবং প্রোপরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন—এ দুই পদ্ধতির মিশ্রণে প্রতিনিধি নির্বাচন করা হবে।

এফপিটিপি হলো সরাসরি কোনো নির্বাচনী আসনের ভোটাররা সরাসরি তাঁদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন। আর প্রোপরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন হলো, ভোটাররা সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলকে ভোট দেন।

এক ভিডিও বার্তায় নেপালের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা বলেন, এ নির্বাচন নেপালের সদ্যোজাত গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে। তিনি আরও বলেন, ‘ভোটে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে চলুন গণতন্ত্র উদ্‌যাপন করি।’

২০০৮ সালে ২৩৯ বছরের পুরোনো রাজতন্ত্র অবসানের পর ১০টি সরকার পেয়েছে নেপাল। দরিদ্র দেশটির জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার বিষয়টি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে গেছে।

নির্বাচনের আগে দেশব্যাপী বিভিন্ন সমাবেশে রাজনৈতিক দলগুলো দ্রব্যমূল্য কমানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনীতি দৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এবারের নির্বাচনে বেশ কয়েকজন তরুণ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ভোটারদের ভয়ভীতি মুক্ত হয়ে এবং গোপনীয়তা বজায় রেখে ভোট দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন আহ্বান জানিয়েছে। নেপালের প্রধান নির্বাচন কমিশনার দীনেশ থাপালিয়া ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ভোটদান শুধু তাঁদের অধিকার নয় বরং গোপন ব্যালটের মাধ্যমে প্রতিনিধি বাছাই করাটাও তাঁদের দায়িত্ব।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, নেপালের নতুন সরকারকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণের মতো চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হবে।