পিয়ংইয়ংয়ের সবশেষ এই উসকানিমূলক আচরণের ব্যাপারে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট।

বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তর কোরিয়ার ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র দুই দেশের সমুদ্রসীমা অতিক্রম করেছে। কোরীয় যুদ্ধের পর প্রথম এমন ঘটনা ঘটল।

দক্ষিণ কোরিয়া বলছে, উত্তর কোরিয়ার ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রথমবারের মতো বিরোধপূর্ণ সমুদ্রসীমার দক্ষিণে এসে পড়ে। এলাকাটি দক্ষিণ কোরিয়ার আঞ্চলিক জলসীমার কাছাকাছি অবস্থিত।

বিবিসি বলছে, স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি দক্ষিণ কোরিয়ার উলেংডোর দ্বীপের কাছে পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দ্বীপটিতে আকাশপথে হামলার সতর্কতা জারি করা হয়।

জারি করা সতর্কতার বিষয়টি দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হয়। ক্ষুদ্র দ্বীপটির বাসিন্দাদের নিকটস্থ ভূগর্ভস্থ নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হয়।

চলতি সপ্তাহে কোরীয় উপদ্বীপের চারপাশে যৌথ সামরিক মহড়া চালানো বন্ধ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়াকে পিয়ংইয়ংয়ের সতর্ক করার এক দিন পরই উত্তর কোরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল।

উত্তর কোরিয়ার এ আচরণকে অনেক বছরের মধ্যে সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ও হুমকি বলে বর্ণনা করেছেন বিশ্লেষকেরা।

চলতি বছর পিয়ংইয়ং রেকর্ডসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে। গত শুক্রবারও তারা দুটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। পিয়ংইয়ংয়ের অভূতপূর্ব এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জেরে কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে।

উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি নিজেদের পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে একটি আইন পাস করে।

যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া সতর্ক করে বলছে, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন আরেকটি পারমাণবিক পরীক্ষা চালাতে পারেন।