পার্লামেন্টে গত মাসে আইন প্রণয়নের ওই প্রস্তাব আনেন আরনলফো তেভেস। বিষয়টি অবশ্য সামনে এসেছে গত সপ্তাহে। আরনলফো মনে করেন, যোগাযোগ বন্ধের মধ্য দিয়ে একজনকে অবমাননা করা হয় বলে বিবেচনা করা উচিত। এই কাজের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

প্রস্তাবে আরনলফো বলেন, আধুনিক বিশ্বে হঠাৎ যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া মতো ঘটনা বেড়েছে। কারণ, প্রযুক্তির কারণে বর্তমানে দুজনের সম্পর্কের ধরন বদলে গেছে। এর জেরে বন্ধু বা সঙ্গীর অনুভূতির কোনো তোয়াক্কা না করেই সম্পর্কে ইতি টানছেন অনেকে।

নিজের যুক্তি জোরালো করতে গবেষণার বরাত দিয়েছেন ফিলিপাইনের এই আইনপ্রণেতা। তিনি বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে, সামাজিকভাবে কাউকে প্রত্যাখ্যান করা হলে শারীরিক ব্যথার মতো মস্তিষ্কে একই ধরনের ব্যথা হয়। এর অর্থ, প্রত্যাখ্যান ও ব্যথার মধ্যে একটি জৈবিক যোগসূত্র আছে। এই প্রত্যাখ্যানের ঘটনা ঘটতে পারে বন্ধুবান্ধব ও জীবনসঙ্গীদের সঙ্গেও।

বিষয়টি নিয়ে আরনলফো তেভেসের সঙ্গে আলাপচারিতা হয়েছে সিএনএনের। সেখানে তিনি বলেন, একজনের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধের মাধ্যমে যে মানসিক আঘাত দেওয়া হয়, তা দেশের উৎপাদনশীলতার জন্যও ক্ষতিকর। কারণ, একজন কর্মীর মানসিক অবস্থা যদি ভালো না থাকে, তাহলে তাঁর কাজের ওপর প্রভাব পড়বে।

এশিয়া থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন