১৩ এপ্রিল থেকে হাসপাতালটি বিকলাঙ্গ, বয়োবৃদ্ধ এবং নিজেদের যত্ন নিতে অক্ষম এমন রোগীদের চিকিৎসায় একটি বিশেষায়িত শাখা চালু করে। সেখানে চিকিৎসার জন্য ১৩০ জন রোগীকে নেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে ২০ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন।

এখন পর্যন্ত হাসপাতালটিতে ২ হাজার ৭৬ জন কোভিড রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১ হাজার ৭৩৭ জন সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন।

চীনের উহানে ২০১৯ সালের শেষ দিকে প্রথম প্রাদুর্ভাবের পর সম্প্রতি ব্যাপক করোনো সংক্রমণের মুখে পড়েছে দেশটি। এতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে দেশটির ‘জিরো কোভিড নীতি’।

চীনের সাংহাই শহরে চলছে করোনার প্রকোপ। গত মার্চের শুরু থেকে শহরটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ। তাঁদের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার ব্যক্তির বয়স ৮০ বছরের বেশি। করোনার ঝাপটা তাঁদের ওপর দিয়েই বেশি যাচ্ছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্র চীনে এখন পর্যন্ত করোনার সবচেয়ে বেশি প্রকোপ দেখেছে সাংহাই শহর।

এদিকে চীনের রাজধানী শহর বেইজিংয়ে মঙ্গলবার স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত ৩১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া উপসর্গহীন ৩ রোগী শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের সংখ্যা হঠাৎ বাড়তে শুরু করায় চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের বাসিন্দাদের আবার করোনা পরীক্ষা শুরু হয়েছে।