বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), যুক্তরাষ্ট্রের রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংস্থার (সিডিসি) মতো বেশ কিছু স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলেছিল, খাবারের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা খুবই কম। এরপরও চীন শুরু থেকেই এ বিষয়ে সতর্ক রয়েছে।

গত জুনে যুক্তরাষ্ট্রের টাইসন ফুডস প্ল্যান্ট থেকে হাঁস-মুরগি আমদানি স্থগিত করে চীন। ওই প্রতিষ্ঠানের ফার্মে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার খবর পেয়ে এ সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। গত মাসে ব্রাজিল থেকে চীনের শেনজেন শহরে আমদানি করা হিমায়িত মুরগির একটি চালানের নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়। এ রকম আরও কয়েকটি ঘটনার পর আমদানি করা খাবারের নমুনা পরীক্ষা কর্মসূচি দেশজুড়ে জোরদার করা হয়।

চীনের উহান থেকে শুরু হওয়া করোনা মহামারিতে বিশ্বজুড়ে এ পর্যন্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। করোনা সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা ৩ কোটি ৩৫ লাখ ছুঁই ছুঁই

সর্বশেষ ৭ সেপ্টেম্বর চীনা কর্তৃপক্ষ করোনার সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়াচ্ছে, এমন ১৯টি দেশ ও অঞ্চলের বেশ কিছু খাদ্যপণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের হিমায়িত খাবার আমদানি স্থগিত করে। আর গত সপ্তাহে নরওয়ের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে আমদানি করা হিমায়িত সামুদ্রিক খাবারের নমুনায় করোনা শনাক্ত হওয়ার পর ‘জরুরি ভিত্তিতে সতর্কতামূলক পদক্ষেপের’ ঘোষণা দেয় চীনা কর্তৃপক্ষ। গত শনিবার শ্যানডং প্রদেশে রাশিয়া থেকে আমদানি করা সামুদ্রিক খাবারে করোনা শনাক্ত হয়। তার আগের দিন ব্রাজিল থেকে আমদানি করা হিমায়িত মাছে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়।

চীনের উহান থেকে গত জানুয়ারিতে করোনাভাইরাসের মহামারি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। এই মহামারির সার্বক্ষণিক তথ্য প্রকাশকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস ডট ইনফোর তথ্যমতে, বিশ্বজুড়ে শনাক্ত হওয়া করোনা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ৩ কোটি ৩৫ লাখ ছুঁই ছুঁই। এর মধ্যে ১০ লাখের বেশি রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন প্রায় আড়াই কোটি করোনা সংক্রমিত রোগী। তবে যে চীন থেকে মহামারি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল, সেখানে এখন পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক। গতকাল দেশটিতে ২১ জন করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে দেশটিতে শনাক্ত হওয়া ৮৫ হাজারের কিছু বেশি রোগীর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৮০ হাজার ৫০০ জনের বেশি। মারা গেছেন ৪ হাজার ৬৩৪ জন।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন