বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পান্ডাকে চীনে জাতীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এমনকি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রক্ষায়ও পান্ডা উপহার পাঠায়।

এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির বাস্তুসংস্থান ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জীবনযাত্রার শর্তের উন্নয়ন ও বাসস্থান রক্ষায় চীনের প্রচেষ্টার কারণে ‘বিপন্ন’ প্রাণীর তালিকা থেকে ওপরের দিকে উঠে এসেছে জায়ান্ট পান্ডা।

দীর্ঘদিন ধরেই গবেষকেরা বলে আসছেন, বিশ্বজুড়ে জায়ান্ট পান্ডা বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচারের (আইইউসিএন) পক্ষ থেকে ২০১৬ সালে প্রাণীটিকে বিপন্ন তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। তবে একে ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রেখে দেওয়া হয়।

তবে সে সময়ে চীনা কর্মকর্তারা ওই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন। তাঁরা দাবি করেন, একে বিপন্ন তালিকা থেকে ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রাখলে কিছু ভুল–বোঝাবুঝি তৈরি হবে। এতে পান্ডা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে শিথিলতা দেখানো হতে পারে।

তবে, এ সপ্তাহে চীনের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের নিজস্ব বিপন্ন প্রাণীর তালিকা থেকে জায়ান্ট পান্ডাকে সরানো হলো। এ খবরে চীনের স্থানীয় গণমাধ্যমে উচ্ছ্বাস লক্ষ করা যাচ্ছে। একে তারা কঠোর পরিশ্রমের ফল হিসেবে দেখছেন।

চীনের মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম ওয়েবুতে একজন লিখেছেন, কয়েক বছরের কঠোর পরিশ্রমের ফল এটি। সংরক্ষণবিদেরা অনেক ভালো কাজ করেছেন।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত বাঁশবনের সম্প্রসারণের মাধ্যমে এ সাফল্য পেয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ। বাঁশ থেকেই আসে পান্ডার ৯৯ শতাংশ খাদ্য। এ ছাড়া চিড়িয়াখানাগুলোও প্রজনন বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছিল।