বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, ঘটনাটি ঘটেছে চীনের চাংশা শহরে। শহরটির ‘হানদাদি সি ফুড বারবিকিউ বাফেট’ রেস্তোরাঁর দরজা বন্ধ হয়েছে ক্যাংয়ের জন্য।

কতটা খেয়েছিলেন যে এমন নিষেধাজ্ঞা, বিবিসিকে জানিয়েছেন ক্যাং। তিনি বলেন, ওই রেস্তোরাঁয় প্রথমবার গিয়ে দেড় কেজি মাংস খেয়েছিলেন তিনি। পরেরবার গিয়ে চিংড়িই খান সাড়ে তিন কেজি থেকে চার কেজি।

তবে খাওয়ার কারণে নিষেধাজ্ঞায় পড়ে বেশ চটেছেন ক্যাং। রেস্তোরাঁর এমন আচরণ ‘বৈষম্যের’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, ‘আমি বেশি খেতে পারি, এটা কি কোনো দোষের কিছু? আমি তো কোনো খাবার নষ্ট করিনি।’

এদিকে ক্যাংকে নিয়ে বেশ বেকায়দায় পড়েছিলেন বলে জানিয়েছেন ওই রেস্তোরাঁর মালিক। ক্যাং এলেই নাকি তাঁর পকেট ফাঁকা করে দিয়ে যেতেন। তিনি বলেন, ক্যাং যখন দুধ খেতেন, ২০ থেকে ৩০ বোতল খালি করে দিয়ে যেতেন। মাংসের দিকে তাঁর নজর পড়লে পুরো ট্রে খালি হয়ে যেত। আর অন্যরা যেখানে চিমটি দিয়ে চিংড়ি তোলেন, সেখানে ক্যাং পুরো ট্রেটাই দখলে নিতেন।

খাবার নিয়ে ক্যাংকে ঘিরে এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে বেশ ভাইরাল হয়েছে। খাবার দিতে না পারলে বুফে রেস্তোরাঁ খোলার কোনো দরকার নেই বলে মনে করছেন অনেকে। অনেকেই আবার রেস্তোরাঁর মালিকের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন