বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, সেই প্রতিবেদনের সঙ্গে জড়িত দুই কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তাঁরা বলেছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হতে পারে।

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের মহামারিতে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৪৪ লাখের বেশি মানুষ। আর আক্রান্ত হয়েছেন ২১ কোটি বেশি। এর প্রভাব পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতির ওপর। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে ছড়ানো এই ভাইরাসের উৎস এখনো জানা যায়নি। এ প্রসঙ্গে বাইডেন তিন মাস আগেই বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দারা করোনার দুটি উৎসের কথা বলছেন। এর একটি হলো প্রাণী, অপরটি পরীক্ষাগার। কিন্তু তদন্তের তিন মাস পরও মার্কিন গোয়েন্দারা কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত বাইডেনকে জানাতে পারলেন না।

এদিকে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, এ প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই তা খারিজ করেছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, এ প্রতিবেদন বিজ্ঞানবিরোধী। তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যে গবেষণা করেছে, তা ‘উপেক্ষা ও বর্জন’ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন যে প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্র করছে, তা ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের কর্মীরা বারবারই অভিযোগ করেছিলেন, করোনাভাইরাস চীনের হুবেই প্রদেশের উহানের পরীক্ষাগার থেকে ছড়িয়েছে। কিন্তু এ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে চীন। এ জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) গবেষকদের উহানে গিয়ে তদন্ত করার সুযোগ দিয়েছে চীন। এরপর সম্প্রতি আবারও এই সুযোগ চেয়েছিল সংস্থাটি। কিন্তু এ আবেদন খারিজ করেছে চীন। তারা বলছে, এবার যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্ট ডেট্রিকের পরীক্ষাগার পরিদর্শন করুক ডব্লিউএইচও। এ প্রসঙ্গে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আর্মস কন্ট্রোল ডিপার্টমেন্টের প্রধান ফু সং বলেন, ভিত্তিহীনভাবে যুক্তরাষ্ট্র যদি চীনকে দোষারোপ করে, তবে এর পাল্টা আক্রমণের জন্য তাদের প্রস্তুত থাকা উচিত।

ফু সং বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি মনে করে চীনের দোষ আছে, তবে তথ্য দিয়ে সেটা প্রমাণ করতে হবে। আপনি তথ্য না দিয়ে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারেন না।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন