বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাঁরা বড় পরিসরে জনগণের সবাইকে বুস্টার ডোজ টিকা দেওয়ার সুপারিশ করছেন না। যাঁদের বয়স ৬০ বছরের বেশি এবং যাঁদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল, তাঁদের ক্ষেত্রেই এই বুস্টার ডোজ টিকার সুপারিশ করা হয়েছে।

করোনাভাইরাস মহামারির সময় ফাইজার-বায়োএনটেক, জনসন, মডার্না, সিনোফার্ম, সিনোভ্যাক, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা জরুরি ব্যবহারের জন্য ডব্লিউএইচওর অনুমোদন পেয়েছে।

ভারত বায়োটেক টিকাও জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পাওয়ার তালিকায় রয়েছে। গত সপ্তাহে এসএজিই টিকা, কোভিড–১৯ ও অন্যান্য রোগ নিয়ে চার দিনের বৈঠক করে।
এসএজিই বলছে, যাঁদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম এবং যাঁরা বয়স্ক, তাঁরা করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হলে ঝুঁকি বেশি থাকে।

এসএজিই আরও বলছে, সিনোভ্যাক বা সিনোফার্মের টিকার সরবরাহ কম থাকলে আলাদা টিকা তৃতীয় ডোজ হিসেবে দেওয়া যেতে পারে। তবে বিভিন্ন দেশে প্রথম দুই ডোজ টিকা দেওয়ার ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। এরপর বয়স্ক ব্যক্তিদের তৃতীয় ডোজ টিকা দেওয়ার কথা ভাবতে হবে।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন