ফক্সকন এক বিবৃতি দিয়ে বলেছে, পারিশ্রমিক নিয়ে কর্মীদের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে তাঁরা পারিশ্রমিক পাবেন। নতুন নিয়োগ পাওয়া কর্মীদের করোনায় আক্রান্ত হওয়া কর্মীদের সঙ্গে একই ডরমিটরিতে থাকতে বলার বিষয়টিকে ‘অসত্য ও গুজব’ বলেছে ফক্সকন। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, নতুন কর্মীদের তোলার আগে ডরমিটরিগুলো জীবাণুমুক্ত করা হয় এবং স্থানীয় কর্মকর্তারা সেটা পরীক্ষা করে দেখেন।

গত মাসে ঝেংজুতে নতুন করে করোনা শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে যায়। এতে শহরটিতে লকডাউন–সংক্রান্ত বিধিনিষেধ জারি করে কর্তৃপক্ষ। এ কারণে কিছু কর্মী কারখানা ছেড়ে বাড়িতে চলে যান। এরপর প্রতিষ্ঠানটি নতুন করে কর্মী নিয়োগ দেয়। তাঁদের ভালো বোনাস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

অনলাইন মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও লাইভস্ট্রিমিংয়ে দেখা যাচ্ছে, বিক্ষোভরত কর্মীরা ‘আমাদের অধিকার রক্ষা করো, আমাদের অধিকার রক্ষা করো’ স্লোগান দিচ্ছেন। এ ছাড়া বিক্ষোভরত অন্য কর্মীদের লাঠিসোঁটা হাতে কারখানায় থাকা নজরদারি ক্যামেরা এবং ভবনের জানালাগুলো ভাঙতে দেখা যায়।

অনলাইন মাধ্যমে বিক্ষোভের ঘটনা সরাসরি সম্প্রচার হওয়ার সময় ফক্সকনের একজন কর্মীকে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা যাতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বোনাস না পাই, এ জন্য তারা (ফক্সকন) চুক্তিতে পরিবর্তন এনেছে। তারা আমাদের একঘরে করে রেখেছে, কিন্তু খাবার দিচ্ছে না। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত লড়াই চলবে।’