পুলিশের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘পলাতক সন্দেহভাজন হামলাকারীকে ধরতে জননিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলো সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’

চীনের রাষ্ট্রীয় দৈনিক বেইজিং ডেইলির প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ছোট্ট একটি শিশু কাঁধে করে একজন পুলিশ কর্মকর্তা অ্যাম্বুলেন্সের দিকে যাচ্ছেন।
তবে কিন্ডারগার্টেনে ছুরি হামলায় হতাহত ব্যক্তিদের বয়স সম্পর্কে এখনো কিছু জানানো হয়নি।

চীনে সাধারণত এমন সহিংসতার ঘটনা ঘটে না। দেশটির নাগরিকদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র রাখা একেবারে নিষিদ্ধ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে বেশ কিছু ছুরি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় একাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।

বিশেষ করে কিন্ডারগার্টেন ও স্কুলশিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে চীনজুড়ে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটছে বেশি।

এমন হামলার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া এই ধরনের সহিংসতার মূল কারণ উদ্‌ঘাটনে গবেষণার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

গত এপ্রিলে চীনের দক্ষিণাঞ্চলের একটি কিন্ডারগার্টেনে ঢুকে ছুরি দিয়ে হামলা চালায় এক ব্যক্তি। হামলায় দুই শিশু প্রাণ হারায়। আহত হয় আরও ১৬টি শিশু।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন