চীনের এ হুমকি সম্পর্কে জানেন, এমন ছয়জনকে উদ্ধৃত করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। তাতে বলা হয়েছে, তাইওয়ান নিয়ে ইতিপূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বেইজিংয়ের যেকোনো হুমকির চেয়ে এবারের হুমকি কঠোর।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি বলেছেন, এবারে চীনের দেওয়া হুমকিতে সামরিক উপায়ে পরিস্থিতির জবাব দেওয়ার সম্ভাবনার ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য চেয়েও কোনো সাড়া মেলেনি। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও মন্তব্য চেয়ে রয়টার্সের করা অনুরোধের তাৎক্ষণিক জবাব দেয়নি।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমস গত সোমবার জানিয়েছিল, স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি আগামী অক্টোবরে তাইওয়ান সফরের পরিকল্পনা করছেন। এর পরদিনই চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পেলোসির তাইওয়ান সফর করলে তা হবে চীনের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার চরম লঙ্ঘন। যুক্তরাষ্ট্রকে এর পরিণাম ভোগ করতে হবে।

গত বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানিয়েছেন, চলতি মাসের শেষ দিকে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে ফোনালাপ করার পরিকল্পনা করছেন তিনি। এ ছাড়া পেলোসির সম্ভাব্য তাইওয়ান সফরের ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি। বাইডেন বলেন, ‘আমার ধারণা (পেলোসির) সফরের এটা উপযুক্ত সময় নয়।’

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন