default-image

এর আগে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, ল্যাংগায়া ভাইরাসটি ২০১৯ সালে মানুষের মধ্যে প্রথম দেখা গিয়েছিল। তবে এ বছর এ ভাইরাস সর্বোচ্চ ব্যক্তি আক্রান্ত হলেন।

এ ভাইরাস সংক্রামক কি না, একজনের থেকে অন্য জনের দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন চীনা গবেষকেরা। বেজিং ইনস্টিটিউট অব মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড এপিডেমিওলজির গবেষকরা বলছেন, এ ভাইরাসের ক্ষেত্রে মূল উপসর্গ জ্বর। তা ছাড়া কাশি, ক্ষুধামান্দ্য, পেশির ব্যথ্যা, বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা এবং বমির মতো উপসর্গও লক্ষ করা গেছে আক্রান্তদের মধ্যে।

গবেষণায় জড়িত সিঙ্গাপুরের ডিউক-এনইউএস মেডিকেল স্কুলের ইমার্জিং ইনফেকসাস ডিজিজ প্রোগ্রামের অধ্যাপক ওয়াং লিনফা, এখনো পর্যন্ত এ ভাইরাস মারাত্মক বা খুব গুরুতর কিছু নয়। তাই আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। নিপাহ ভাইরাসের পরিবারেরই সদস্য এ ল্যাংগায়া ভাইরাস।

তথ্যসূত্র: দ্য গ্লোবাল টাইমস ও দ্য স্ট্রেইট টাইমস

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন