সি চিন পিংসহ এসব নেতার স্বাস্থ্য সম্পর্কে সাধারণত তথ্য প্রকাশ করা হয় না। জেং ইজিন বলেন, দেশের নেতারা সবাই দেশে তৈরি করোনার টিকা নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘এতে প্রমাণিত হচ্ছে, তাঁরা মহামারি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন এবং দেশে তৈরি করোনা টিকায় পূর্ণ আস্থা রয়েছে তাঁদের।’

সব সচলের জন্য টিকাদানের হার বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন চীনা কর্মকর্তারা। কিন্তু নিরাপদে আবার সব সচলের জন্য টিকাদানের হার তুলনামূলক কম। চীন এখনো ‘শূন্য কোভিড’ কৌশল মেনে চলছে। এর মধ্যে গণহারে সবার করোনা পরীক্ষা, কঠোর সঙ্গনিরোধ বিধিনিষেধ ও স্থানীয় পর্যায়ে লকডাউনও দিচ্ছে।

শূন্য কোভিড নীতির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে চীনের জনজীবন আর অর্থনীতিতে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট সি বারবার বলে আসছেন, শূন্য কোভিড নীতির বিকল্প নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ হিসাব বলছে, চীনে ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৬১৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন ১৪ হাজার ৬৪৭ জন।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনের সরকারের সাম্প্রতিক হিসাবে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশটির ৯০ শতাংশ মানুষ করোনা টিকার দুই ডোজ নিয়েছেন।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন