চুরির ঘটনার পর পুলিশের সন্দেহ হয় ২৯ বছর বয়সী এক তরুণীকে নিয়ে। তিনি মেক্সিকোর এক সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন। ঘটনার দিন রুম সার্ভিসের নামে হোটেলের ওয়েটারদের নজর অন্যদিকে সরান তিনি। পরে সুযোগ কাজে লাগান তাঁর ৪৭ বছর বয়সী রোমানীয়-ডাচ বংশোদ্ভূত সহযোগী।

সহযোগী ব্যক্তি এর আগেও হোটেলটিতে অবস্থান করেছিলেন। তখন হোটেলের একটি মাস্টার কি (যে চাবি দিয়ে সব তালা খোলা যায়) চুরি করেন। সেটি দিয়েই মদ রাখার ওই ভূগর্ভস্থ কক্ষে প্রবেশ করেন তিনি। এরপর তিনটি ব্যাগে মদের বোতলগুলো ভরে হোটেলকক্ষে ফিরে আসেন।

পরদিন হোটেল ত্যাগের সময় দুজন সিসিটিভিতে ধরা পড়েন। পুলিশ বলছে, তাঁরা আগেও ওই হোটেলে তিনবার অবস্থান করেছেন। আর সেখানে অবস্থান করা অন্যদের মতো ওই দুজনকেও ওই ভূগর্ভস্থ কক্ষ ঘুরে দেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এই চুরির পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চোর চক্র রয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ।

এদিকে চুরির কয়েক দিনের মধ্যেই স্পেন ত্যাগ করেন ওই দুজন। তাঁদের ধরতে নেদারল্যান্ডস, ক্রোয়েশিয়া ও রোমানিয়া পুলিশ, এমনকি ইন্টারপোলের সঙ্গেও কাজ করেছে স্পেনের পুলিশ। অবশেষে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ৯ মাস পুলিশের হাত থেকে গা বাঁচিয়ে চলার পর ক্রোয়েশিয়ার সীমান্তরক্ষী বাহিনী দুজনকে শনাক্ত করে। এরপর তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন