যুক্তরাজ্যের সশস্ত্র বাহিনীবিষয়ক মন্ত্রী জেমস হিপে বিবিসি রেডিও ফোরের ‘টুডে’ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এসব সহায়তা কীভাবে সরবরাহ করা ও ইউক্রেনের হাতে পৌঁছে দেওয়া যায়, তা সমন্বয় করতে একমত হওয়া দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করছেন তাঁরা। তবে এ নিয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।

আর্থিক লেনদেনের বার্তা আদান-প্রদানকারী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা ‘সুইফট’ থেকে রাশিয়াকে সরিয়ে দেওয়া বিষয়ে অন্য দেশগুলোকে রাজি করাতে ব্রিটিশ কূটনীতিকেরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান যুক্তরাজ্যের মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এটি কোনো একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় নয় যে তা যুক্তরাজ্য একাই নিতে পারে। তবে এ নিয়ে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার।’

ইতিমধ্যে ফ্রান্সের পাঠানো অস্ত্র ও সরঞ্জাম ইউক্রেনের পথে রয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক টুইটে বলেন, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে শনিবার সকালে তাঁর কথা হয়েছে। যুদ্ধবিরোধী জোট কাজ করছে। একই দিন একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন মাখোঁ। সেখানে তিনি বলেন, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে, এমন পরিস্থিতিতে সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

ইউক্রেনকে সহায়তার পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্রও। দেশটিকে ৬৪০ কোটি ডলারের সহায়তা দিতে শুক্রবার মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন চেয়েছে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। জরুরিভিত্তিতে এ অর্থ মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা ইউএসএইডের মাধ্যমে ছাড় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এদিকে ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কৃষ্ণ সাগরে রুশ যুদ্ধজাহাজগুলোকে প্রবেশ করতে দেবে না তুরস্ক। কিয়েভের অনুরোধে দেশটি এ পদক্ষেপ নিচ্ছে উল্লেখ করে এক টুইট বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, তুরস্কের এভাবে পাশে দাঁড়ানো ইউক্রেনবাসী কখনোই ভুলবে না। তবে এ নিয়ে এখনো কিছু প্রকাশ করেনি আঙ্কারা।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন