বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেওয়ার তিন ঘণ্টা পরই ওয়াশিংটনে রুশ দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় বুধবার দিবাগত রাত একটার দিকে বিক্ষোভকারীরা ইউক্রেনের পতাকা হাতে জমায়েত হন। তাঁরা স্লোগান দিচ্ছিলেন, ‘রুশ আগ্রাসন বন্ধ করো।’

লন্ডনে ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেছেন শত শত মানুষ। তাঁদের বেশির ভাগই ইউক্রেনীয় নাগরিক। ইউক্রেনে রুশ হামলা মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

বিক্ষোভকারীদের একজন বলেন, ‘আমাদের সহযোগিতা দরকার। আমাদের সমর্থন দেবে, এমন কাউকে দরকার। ইউক্রেন খুব ছোট দেশ। এর ওপর যে চাপ দেওয়া হচ্ছে, তা অনেক বড়।’


প্যারিসে বিক্ষোভে অংশ নেওয়াদের একজন রয়টার্সকে বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে গোটা বিশ্বের মানুষ এখন ভয়াবহ এক সময়ের মধ্যে আছে।’

মাদ্রিদে রুশ দূতাবাসের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে যোগ দেন অস্কার বিজয়ী স্প্যানিশ অভিনেতা হাভিয়ের বারদেমও। রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘এ এক আগ্রাসন। এটি ইউক্রেনের ভূখণ্ডগত সার্বভৌমত্বজনিত মৌলিক অধিকার, আন্তর্জাতিক আইন ও অন্য অনেক কিছুরই লঙ্ঘন।’


ম্যানহাটনের টাইমস স্কয়ারে বড় একটি পতাকা হাতে বিক্ষোভ করেছেন কয়েক শ মানুষ।

সুইজারল্যান্ডের রাজধানী বার্নে ইউক্রেনের পতাকা হাতে শত শত মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। তাঁরা স্লোগান দেন, ‘ইউক্রেনে শান্তি চাই’।

শান্তিতে নোবেলজয়ী পারমাণবিক অস্ত্রবিরোধী সংস্থা আইসিএএনের উদ্যোগে জেনেভায় জাতিসংঘের ইউরোপীয় সদর দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ হয়েছে।

পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার নিয়ে পুতিনের দেওয়া হুমকির নিন্দা জানিয়েছেন তাঁরা।

এ ছাড়া বৈরুত, তেল আবিব, ডাবলিন ও প্রাগ শহরেও রুশবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে।
এদিকে জেলে পাঠানোর হুমকি সত্ত্বেও রাশিয়ার বিভিন্ন শহরে হামলার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। মস্কো, সেন্ট পিটার্সবার্গসহ বিভিন্ন শহরে ‘যুদ্ধকে না বলুন’ স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করেন শত শত মানুষ।

রুশ সংবাদ সংস্থা তাসের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে ৫৩টি শহর থেকে ১ হাজার ৬৬৭ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু মস্কো থেকেই গ্রেপ্তার হয়েছেন ৬০০ জন।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন