বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওয়ার্ল্ডোমিটারসের দেওয়া তথ্য অনুসারে, এই অঞ্চলে প্রায় ৭৪ কোটি মানুষের বসবাস। কিন্তু এই অঞ্চলে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯ কোটি ৮ লাখের বেশি মানুষ। এর মধ্যে গতকালই আক্রান্ত হয়েছেন ১০ লাখ ৯২ হাজার। ইউরোপে এ পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ১৫ লাখের বেশি মানুষ। গতকাল মারা গেছেন ৩ হাজার ২৩৬ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭ কোটি ৬০ লাখের বেশি মানুষ। বর্তমানে ইউরোপের দেশগুলোয় রোগী রয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ। আর গুরুতর অসুস্থ ২২ হাজার বেশি রোগী।

মঙ্গলবার ইউরোপে দুটি দেশে সংক্রমণ দুই লাখের ওপরে ছিল। যুক্তরাজ্যে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার। ফ্রান্সে সংক্রমিত হয়েছে ২ লাখ ৭১ হাজারের বেশি। যুক্তরাজ্যের পরিস্থিতি তুলে ধরে গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারিভাবে যে হিসাব দেওয়া হয়েছে, প্রকৃত রোগীর সংখ্যা তার চেয়ে অনেক বেশি হবে। কারণ, বড়দিন ও খ্রিষ্টীয় নববর্ষকে কেন্দ্র করে সব জায়গার তথ্য পুরোপুরি সংগ্রহ করা যায়নি। তা ছাড়া সংক্রমিত ব্যক্তিদের অনেকে পরীক্ষা করাননি।

আর ফ্রান্সে করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাখোঁ বলেছেন, ‘আমি সত্যি তাদের (টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের) ঝামেলার মধ্যে ফেলতে চাই এবং আমরা এটা করে যাব শেষ পর্যন্ত।’

সংক্রমণ ব্যাপক হারে বাড়ছে ইতালিতেও। দেশটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষ। গতকাল ইতালির হাসপাতালগুলোয় করোনায় সংক্রমিত ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ১২ হাজার ৯১২। সোমবার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রোগীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৩৫১। গতকাল এই সংখ্যা বেড়ে হয় ১ হাজার ৩৯২।

শনাক্তের দিকে থেকে এরপরই রয়েছে গ্রিস। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ। এ ছাড়া জার্মানিতে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ৪৩ হাজার। আর পর্তুগালে ২৫ হাজার, ডেনমার্কে ২৩ হাজার, আয়ারল্যান্ডে ২১ হাজার, নেদারল্যান্ডসে ১৮ হাজার, সুইজারল্যান্ডে ১৪ হাজার, পোল্যান্ডে ১১ হাজার ও রাশিয়ায় ১৫ রোগী শনাক্ত হয়েছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন