বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কপ-২৬ সম্মেলনে বিশ্বের ২০০টি দেশের কাছে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ কমানোর বিষয়ে তাদের পরিকল্পনা জানতে চাওয়া হবে।

জলবায়ু বিপর্যয় এড়াতে এই দেশগুলো ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তিতে বৈশ্বিক উষ্ণতা প্রাক্‌-শিল্পায়ন যুগের চেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি যাতে না বাড়ে, সে ব্যাপারে সম্মত হয়েছিল।

এটাই প্যারিস চুক্তি। এই চুক্তির মানে হলো ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ কার্যত শূন্যে নামিয়ে আনার জন্য দেশগুলো ব্যাপকভাবে নিঃসরণ কমাবে।

যেসব শব্দ বেশি শোনা যাবে
কপ-২৬: ‘কপ’ মানে ‘কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ’। এটি জাতিসংঘের একটি উদ্যোগ। ১৯৯৫ সালে কপের প্রথম সম্মেলন হয়। গ্লাসগোতে হচ্ছে কপের ২৬তম সম্মেলন। তাই একে বলা হচ্ছে ‘কপ-২৬’।

প্যারিস চুক্তি: ২০১৫ সালে ঐতিহাসিক প্যারিস চুক্তি হয়। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন মোকাবিলা ও গ্রিনহাউজ গ্যাসের নির্গমন কমাতে তখনই প্রথমবারের মতো বিশ্বের দেশগুলো একটি চুক্তিতে পৌঁছায়।

আইপিসিসি: ‘আইপিসিসি’ হলো জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক আন্তদেশীয় প্যানেল। এই প্যানেল জলবায়ু পরিবর্তন–সম্পর্কিত সবশেষ গবেষণা যাচাই করে।

১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস: প্রাক্‌-শিল্পায়ন যুগের তুলনায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা গেলে জলবায়ু পরিবর্তনের বিপর্যয়কর প্রভাব এড়ানো যাবে বলে মত দেন বিজ্ঞানীরা।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন