বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যে করোনা মহামারি বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩৫ লাখ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিল, সেটির উৎপত্তি নিয়ে ডব্লিউএইচওর চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষার ধৈর্যচ্যুতিই প্রকাশ পায় বাইডেনের এ নির্দেশে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আরও কিছু দেশ ডব্লিউএইচওর সদস্যরাষ্ট্রগুলোর চলমান বৈঠকে সংস্থাটিকে এ নিয়ে চাপ দেয়।

তবে ডব্লিউএইচও শুক্রবার জানায়, করোনার উৎপত্তি নিয়ে জানতে কীভাবে পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সংস্থাটি তাদের কারিগরি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের অপেক্ষায় আছে।

সাংবাদিকদের সংস্থাটির মুখপাত্র ফাদেলা চাইব বলেন, ‘কারিগরি বিশেষজ্ঞ দল পরবর্তী গবেষণার জন্য একটি প্রস্তাব প্রস্তুত করবে। তদন্ত শুরু করতে যেটি প্রয়োজন হবে।

এরপর সেটি ডব্লিউএইচওর প্রধানের কাছে উপস্থাপন করবে। এরপর পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে তিনি সদস্যভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করবেন, তবে সেটির জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বলা যাচ্ছে না।’

করোনাভাইরাসের উৎস অনুসন্ধানের জন্য চলতি বছরের শুরুর দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞেরা চীন গিয়েছিলেন। তদন্তকারীদের চীন পূর্ণ সহযোগিতা করেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে বিশেষজ্ঞেরা করোনার উৎস সম্পর্কে কোনো পূর্ণ সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি।

উহানের ল্যাব থেকে করোনাভাইরাসের উৎপত্তি হয়েছে, এ সন্দেহের ভিত্তিতে চীনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞদের আরও বেশি জায়গায় গিয়ে অনুসন্ধান চালানোর অনুমতি দিতে একধরনের চাপে রয়েছে চীন।

করোনার উৎপত্তি নিয়ে এখনো তেমন কিছু জানা যায়নি। কখনো বলা হয়েছে, বাদুড় থেকে এ ভাইরাস মানুষের শরীরে প্রথম সংক্রমিত হয়েছে। আবার উহানের ল্যাব থেকে এ ভাইরাস ছড়িয়েছে বলেও প্রচার-প্রচারণা আছে। তবে এ ভাইরাস ঠিক কীভাবে ছড়িয়েছে, সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিয়ে এখন পর্যন্ত তা প্রমাণ করা যায়নি।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন