খারকিভের প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বের চুহুইভে আরও ছয়জন নিহত হন। এ ছাড়া খারকিভ শহরের ৪০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমের জোলোচিভে তিনজন নিহত হন বলে জানান গভর্নর।

চলতি মাসের শুরুর দিকে ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছে রুশ বাহিনী। চলমান যুদ্ধে এর আগেও এই শহরে ব্যাপক গোলাবর্ষণ করা হয়েছিল। তখন যুদ্ধে ‘ফ্রন্ট লাইন শহরে’ পরিণত হয় খারকিভ।

এদিকে রুশ বাহিনী দনবাস অঞ্চলে ফ্রন্ট লাইনে থাকা একটি গ্রামের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন।

কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ শহর সেভেরোদোনেৎস্ক ও লিসিচানস্ক শহরের কাছের এ গ্রাম হাতছাড়া হওয়ার কথা ঘোষণা দেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা। ফলে দনবাস অঞ্চলের আরও ভেতরে ঢুকে পড়ল রুশ বাহিনী।

সেভেরোদোনেৎস্ক জেলা সামরিক প্রশাসনের প্রধান রোমান ভ্লাসেঙ্কো গতকাল জানান, তোশকিভকা বসতি এখন ‘রুশ বাহিনী পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করছে’।

যুদ্ধের আগে তোশকিভকায় প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের বসবাস ছিল। পূর্ব ইউক্রেনের লুহানস্কের সেভেরোদোনেৎস্ক শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে গ্রামটির অবস্থান।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন