বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সম্মেলনের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘গত তিন দিনে আমি প্রায় ছয় ঘণ্টা ঘুমিয়েছি। সমষ্টিগত ও একটি দল হিসেবে আমরা এটি অর্জন করেছি। এ অর্জন নিয়ে অনেকের সন্দেহ ছিল।’

default-image

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এটিকে একটি ‘বড় পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, ‘এখনো অনেক কাজ বাকি রয়ে গেছে।’

চুক্তিতে শেষ মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের জন্য আহ্বান জানায় ভারত ও চীন। তারা কয়লার ব্যবহার ‘ফেজ আউট’ করার পরিবর্তে ‘ফেজ ডাউন’ করতে বলে। শেষ পর্যন্ত তা অনুমোদন পেলেও অনেক দেশ এতে সন্তুষ্ট হতে পারেনি। তারা অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

গ্লাসগো জলবায়ু চুক্তি ঘিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিনপিস বলছে, চুক্তিটিতে কেবল ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার লক্ষ্য টিকিয়ে রাখা হলো।

default-image

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস চুক্তি প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘এটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ তবে যথেষ্ট নয়।’

সম্মেলনের সামগ্রিক লক্ষ্য ছিল উষ্ণতাকে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে খারাপ প্রভাবগুলো এড়াতে একটি পথ নির্দেশিকা তৈরি করা।

প্যারিস ক্ষেত্র তৈরি করেছিল এবং গ্লাসগোর দৌড় সেখান থেকে শুরু হয়েছে।
জন কেরি, মার্কিন জলবায়ু দূত

সংবাদ সম্মেলনে কয়লার ফেজ ডাউন বিষয়ে সম্মত হওয়া প্রসঙ্গে অলোক শর্মা বলেছেন, কয়লা নিয়ে মূল প্রস্তাবটি থেকে যাবে বলে তিনি আশাবাদী।

দরিদ্র এবং দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর হৃদয়বিদারক গল্প এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তারা কীভাবে প্রভাবিত হচ্ছে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে শর্মা বলেছেন, চুক্তির কিছু অংশ নিয়ে তাদের হতাশা বুঝতে পেরেছেন তিনি।

default-image

চুক্তি নিয়ে মার্কিন জলবায়ু দূত জন কেরি বলেন, প্যারিস ক্ষেত্র তৈরি করেছিল এবং গ্লাসগোর দৌড় সেখান থেকে শুরু হয়েছে। শনিবার রাত থেকে সে দৌড় শুরু হলো।

কয়লা প্রসঙ্গে কেরি বলেন, কয়লা ব্যবহার শেষ করার আগে আপনাকে ব্যবহার সীমিত করতে হবে। এবারে চুক্তিতে তার শুরু হলো।

default-image

এদিকে, চুক্তি নিয়ে নাখোশ সুইডিশ জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ। তিনি টুইট করে বলেছেন, কপ২৬ শেষ হলো। এবারের সম্মেলনের সারসংক্ষেপ হলো—ব্লা, ব্লা, ব্লা।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন