জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা, পশ্চিমা নেতাদের তীব্র নিন্দা

শুক্রবার ভোররাতের দিকে জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে গোলা হামলা হয়
ছবি: বিবিসির সৌজন্যে

ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র জাপোরিঝিয়াতে রুশ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন পশ্চিমা নেতা। তাদের আশঙ্কা, মস্কোর এমন কর্মকাণ্ড পুরো ইউরোপকে হুমকিতে ফেলবে। খবর আল–জাজিরার
ইউক্রেনের স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার ভোররাতের দিকে জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা হয়। রাশিয়া এই হামলা চালায় বলে জানান ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্র কুলেবা। হামলার পর বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ছয়টি চুল্লির একটিতে আগুন ধরে যায়। পরে অবশ্য আগুন নেভাতে সক্ষম হন ইউক্রেনীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ইতিমধ্যে এক ফেসবুক পোস্টে ইউক্রেনের আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ বলেছে, রুশ সেনারা বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দখল নিয়েছে।

জাপোরিঝিয়ার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে রুশ হামলার নিন্দা জানিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন একে বেপরোয়া কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করেছেন। এ ধরনের আচরণ পুরো ইউরোপের নিরাপত্ত্বাকে সরাসরি হুমকিতে ফেলছে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাও জাপোরিঝঝিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রে রুশ হামলা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের এলাকায় সামরিক তৎপরতা বন্ধ করার জন্য রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর কণ্ঠেও শোনা গেছে একই ধরনের আহ্বান। এ ধরনের হামলাকে অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। অবিলম্বে এসব হামলা বন্ধ করতে মস্কোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ট্রুডো।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। তিনি রাশিয়ার বিরুদ্ধে ‘পরমাণু সন্ত্রাস’ চালানোর অভিযোগ তুলেছেন। একই সঙ্গে বলেছেন, রাশিয়া ১৯৮৬ সালের চেরনোবিল পারমাণবিক বিপর্যয়ের পুনরাবৃত্তি চায়।