বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনের সেনারা পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। যুদ্ধ শুরুর প্রথম সপ্তাহে জেলেনস্কি ছিলেন তটস্থ। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি জেনারেলদের কাছ থেকে হালনাগাদ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইতেন। পরে অবশ্য তিনি যুদ্ধ পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার এ সময় বদলে ফেলেন। এরপর থেকে তিনি ঘুম থেকে উঠে সবার আগে সকালের খাবার খেয়ে নেন। খাওয়া শেষে প্রেসিডেন্ট ভবন নিজের কার্যালয়ে গিয়ে বসেন।

আরও পড়ুন: জেলেনস্কিকে ধরতে প্রেসিডেন্ট ভবনে পৌঁছেছিল রুশ বাহিনী
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এক সময় জেলেনস্কি প্রেসিডেন্টের ভবন থেকে চুপিসারে বের হয়ে কিয়েভের ধ্বংসলীলা দেখতে রাস্তায় বের হতেন। জেলেনস্কির সাক্ষাৎকার নেওয়া টাইমের সিমন শুস্টার বলছেন, দুই মাসের এ যুদ্ধ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে আরও শক্ত, ক্ষিপ্ত করেছে ও ঝুঁকি নিতে শিখিয়েছে।

জেলেনস্কি জানিয়েছেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রুশ বাহিনী কিয়েভের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। এমনকি তাঁকে হত্যা বা আটক করার খুবই কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল রুশ বাহিনী। হামলা শুরুর পরই রুশ বাহিনীর অগ্রগতি দেখে কিয়েভ পতনকে অত্যাসন্ন বলে মনে করেছিলেন অনেকেই। সেই সময় দেশ ছাড়তে জেলেনস্কির জন্য হেলিকপ্টার পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু জেলেনস্কি তা নাকচ করে তখন লড়াই অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।

ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ শুরুর দুই মাস পেরিয়েছে। যুদ্ধের এত দিন পরেও রাশিয়ার আক্রমণের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখানোর জন্য বিশ্বজুড়ে ভীষণভাবে প্রশংসিত হচ্ছেন জেলেনস্কি। তিনি বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্ট, অনুষ্ঠান ও জনসমাবেশেও ভার্চ্যুয়াল যুক্ত হয়ে ভাষণ দিয়েছেন।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন