বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউরোপের দেশগুলোতে করোনার সংক্রমণ আবারও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। ডব্লিউএইচও বলছে, ইউরোপ আবারও মহামারির কেন্দ্রস্থলে পরিণত হতে যাচ্ছে। গত সপ্তাহেই মহাদেশটিতে প্রায় ২০ লাখ মানুষের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ডব্লিউএইচও প্রধান বলছেন, মহামারি শুরুর পর এক সপ্তাহে এত সংক্রমণ আগে দেখেনি ইউরোপ।
এদিকে মহামারি সামাল দিতে নানা বিধিনিষেধ জারি করছে দেশগুলো। অনেক দেশ আবার টিকাদান কার্যক্রম জোরদার বা বুস্টার ডোজ চালু করে সংক্রমণের লাগাম টানতে চাচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এসবের পাশাপাশি যাঁদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তাঁদের কাছে টিকা পৌঁছানো নিশ্চিত করাও জরুরি।

তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস জানান, কতজনকে টিকা দেওয়া হচ্ছে বিষয়টি এমন নয়, বিষয় হলো কাদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যখন স্বাস্থ্যকর্মী, বয়স্ক এবং ঝুঁকিতে থাকা লোকজন টিকার প্রথম ডোজের অপেক্ষায় আছেন, তখন সুস্থদের বুস্টার ডোজ দেওয়া কিংবা শিশুদের টিকা দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

দরিদ্র দেশগুলোর টিকাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত বুস্টার ডোজ না দিতে আহ্বান জানিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এরপরও অনেক দেশ বুস্টার ডোজের জন্য টিকা মজুত করছে। তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস জানান, দরিদ্র দেশগুলোতে প্রতিদিন যে পরিমাণ টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়, তার ছয় গুণ বুস্টার ডোজ দেওয়া হচ্ছে। এটি একটি কেলেঙ্কারি, যা এখনই বন্ধ করতে হবে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন