ঝড়ে নিহত ছয়জনের মধ্যে চারজনই তুরস্কের বাণিজ্যিক নগরী ইস্তাম্বুলের বাসিন্দা। শহরটিতে ১ কোটি ৬০ লাখের বেশি মানুষ বাস করে। ইস্তাম্বুলে ঝড়ে আহত তিনজনের অবস্থা গুরুতর।

ইস্তাম্বুলে প্রবল ঝড়ে গাছপালা উপড়ে পড়েছে। অনেক বাড়ির ছাদ উড়ে গেছে। ঐতিহ্যবাহী ‘ক্লক টাওয়ার’ ভেঙে পড়েছে।

তুরস্কের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠেছিল।

দেশটির বাসিন্দারা বলছেন, তাঁরা তাঁদের জীবনকালে এমন ঝড় আর দেখেননি।
তুরস্কে এই সময়ে সাধারণত যে ধরনের বাতাস বয়ে যায়, তার তুলনায় এই ঝড়ের গতিবেগ ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা অনেকটাই অস্বাভাবিক।

প্রবল ঝড়ের কারণে স্থানীয় সময় সোমবার ৩০টির বেশি ফ্লাইটের যাত্রাপথ পরিবর্তন করা হয়। এসব ফ্লাইটের বেশির ভাগ মঙ্গলবার ইস্তাম্বুলে ফেরত আসে।

টার্কিশ এয়ারলাইনসের গণমাধ্যম শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া উসতুন বলেন, ইস্তাম্বুলে ঝোড়ো হাওয়া তাঁদের কার্যক্রম পরিচালনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। যাত্রীদের নিরাপদ ও আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য তাঁদের কর্মীরা কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

প্রবল ঝড়ের কারণে তুরস্কের দশটি শহরে স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ইস্তাম্বুলে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন