ক্রেমলিনের মুখপাত্র বলেন, এসব নিষেধাজ্ঞার জবাবে এমন পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে সাপও মরবে, লাঠিও ভাঙবে না। তাই বুঝেশুনে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
গত বৃহস্পতিবার ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করেছে রাশিয়া। এর প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ দেশটির সামরিক-বেসামরিক ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ অব্যাহত রেখেছে। সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট পুতিন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের ওপর সরাসরি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে রাজধানী কিয়েভসহ ইউক্রেনের শহরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা নিক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া। হামলা শুরুর তিন দিনের মাথায় আজ শনিবার প্রথমবারের মতো ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় মেলিতোপোল শহর দখলে নেওয়ার দাবি করেছে রাশিয়া। তবে রাজধানীসহ বেশ কয়েকটি শহরে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন ইউক্রেনের সেনারা। আর কিয়েভ আক্রান্ত হলেও তাদের প্রতিহত করা হয়েছে বলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন।

যুদ্ধ থেকে বাঁচতে ইউক্রেন থেকে লাখ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পাশের দেশগুলোর দিকে ছুটছেন। আজকেও লন্ডন, বার্লিন, টোকিও, সিডনি, ব্রাসেলস, কলকাতাসহ বিশ্বের বিভিন্ন শহরে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। তবে রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং বর্তমান নিরাপত্তা কাউন্সিলের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ গতকাল বলেছেন, লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান চলবে। পশ্চিমাদের সঙ্গে রাশিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখার প্রয়োজন নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন