বিক্ষোভকারীদের রং ছোড়ার মধ্যেও রুশ রাষ্ট্রদূত তাঁর সংযম ধরে রাখেন। তাঁকে হাত দিয়ে মুখ থেকে রং মুছতে দেখা যায়। বিক্ষোভকারীদের প্রতি তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি।

বিক্ষোভকারীদের বাধার মুখে শেষ পর্যন্ত ওয়ারশতে সোভিয়েত সেনাদের সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করতে পারেননি রাষ্ট্রদূতসহ রুশ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলায় রক্তপাতের বিষয়টি তুলে ধরতে বিক্ষোভকারীরা লাল রং ছিটানো পোশাক পরেন। ইউক্রেনের পতাকা হাতে নিয়ে তাঁদের ‘ফ্যাসিস্ট’ বলে স্লোগান দিতেও দেখা যায়। শেষে পুলিশি নিরাপত্তায় এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য হয় রুশ প্রতিনিধিদল।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মান নাৎসি বাহিনীর বিপক্ষে সোভিয়েত বাহিনীর জয়ের ৭৭তম বার্ষিকী ছিল গতকাল সোমবার। এ উপলক্ষে মস্কোর রেড স্কয়ারে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়। এ আয়োজনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভাষণ দেন। তাঁর ভাষণের পরই পোল্যান্ডের রাজধানীতে হেনস্তার শিকার হন রুশ রাষ্ট্রদূত।

বিজয় কুচকাওয়াজে পুতিন বলেন, পশ্চিমানীতির জবাবে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে নেওয়া রাশিয়ার সামরিক পদক্ষেপ ছিল সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয়। মাতৃভূমিকে রক্ষা করা পবিত্র দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ইউক্রেনকে সহযোগিতা করার ক্ষেত্রে সম্মুখসারিতে রয়েছে পোল্যান্ড। রুশ হামলা থেকে পালিয়ে আসা লাখো ইউক্রেনীয়কে আশ্রয় দিয়েছে প্রতিবেশী দেশটি।

ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘গণহত্যা’ ও ‘সাম্রাজ্যবাদী’ কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে আসছে পোল্যান্ড। অন্যদিকে ওয়ারশের বিরুদ্ধে অশুভ ও অমার্জিত সমালোচনার অভিযোগ মস্কোর।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন