বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউরোপজুড়ে উৎসবের মৌসুম শুরু হয়েছে। এরপর থেকেই দেশগুলোয় করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। ফ্রান্সের পরিস্থিতি তুলে ধরে গত সোমবারই সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী অলিভার ভেরান। তিনি বলেছিলেন, জানুয়ারির শুরুর দিকে দেশটিতে দৈনিক সংক্রমণ আড়াই লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া দেশটির হাসপাতালগুলোর সংগঠন ফ্রান্স হসপিটাল ফেডারেশন সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে বলেছে, সবচেয়ে কঠিন সময় এখনো আসেনি।

ফ্রান্সে বেশ কিছুদিন ধরে আক্রান্তের হার কম থাকলেও ৪ ডিসেম্বর থেকে ফ্রান্সে নতুন করে করোনার সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। এদিন দেশটিতে ৫০ হাজার মানুষের করোনা শনাক্ত হয়। এরপর থেকে সংক্রমণ বাড়ছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে ফ্রান্সে নতুন নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গত সোমবার সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, এখন থেকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা সপ্তাহে কমপক্ষে তিন দিন বাসায় থেকে কাজ করবেন। এ ছাড়া বড় জনসমাগমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কেউ গণপরিবহনে খাবার খেতে বা পানীয় পান করতে পারবেন না। ঘরের বাইরে বের হলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে দেশটিতে।

এ ছাড়া শুক্রবার ফ্রান্সের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সুপারিশ করেছে, প্রাপ্তবয়স্করা যেন প্রাথমিক পর্বের টিকা নেওয়ার তিন মাস পর বুস্টার ডোজ নেন। দেশটির সরকার এখন শুধু বুস্টার ডোজ সম্পন্নকারীদেরই হেলথ পাস দিচ্ছে। বিদেশভ্রমণ ছাড়াও ক্যাফে, রেস্তোরাঁ ও জনাকীর্ণ জায়গায় যেতে এ পাস দেখাতে হয়।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন