বিজ্ঞাপন
default-image

এর আগে ১৯৯৪ সালে ‘হাউ লেট ইট ওয়াজ, হাউ লেট’ বইটির জন্য বুকার পুরস্কার পেয়েছিলেন জেমস কেলম্যান। ওই বইটি সম্পর্কে স্টুয়ার্ট বলেন, কেলম্যানের বইটি তাঁর জীবন বদলে দিয়েছিল। কারণ প্রথমবার তিনি নিজের মানুষ ও তাদের কথা বইয়ের পৃষ্ঠায় দেখতে পেয়েছিলেন।

‘শুগি বেইন’ বইটি কিশোর শুগিকে উপজীব্য করে লেখা যে শিশু মাদকাসক্ত মায়ের যত্ন নেয়। বইটি নিজের মাকে উৎসর্গ করেছেন স্টুয়ার্ট। তাঁর বয়স যখন ১৬ তখন তাঁর মা মারা যান।

পুরস্কার জেতার প্রতিক্রিয়ায় স্টুয়ার্ট হতবাক হয়েছেন। নিজের মাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বইয়ের প্রতিটি পাতায় মা সম্পর্কে আমি পরিষ্কার করে বলেছি। তাঁকে ছাড়া আমি এখানে আসতে পারতাম না। আমার কাজ এখানে পৌঁছাত না।

স্টুয়ার্ট স্কটল্যান্ডবাসীকেও ধন্যবাদ জানান বিশেষ করে গ্লাসগোর অধিবাসীদের। তিনি বলেন, গ্লাসগোবাসীর সহানুভূতি, রসবোধ, প্রেম এবং সংগ্রাম এই বইয়ের প্রতিটি শব্দেই রয়েছে।

বিবিসি জানায়, গ্লাসগোতে বেড়ে ওঠা স্টুয়ার্ট এখন নিউইয়র্কে বসবাস করেন। ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে কাজ করা স্টুয়ার্ট এ বছরেই তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস ‘লক অ’ শেষ করেছেন, যার পটভূমি গ্লাসগো ঘিরেই গড়ে উঠেছে।

যুক্তরাজ্য প্রতিবছর সাহিত্যে ‘ম্যান বুকার’ পুরস্কার দেয়। ইংরেজি ভাষায় লেখা সেরা মৌলিক উপন্যাসের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়। ১৯৬৯ সাল থেকে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন