বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাশিয়া জানিয়েছিল, গোলাবারুদের মজুতে বিস্ফোরণে আগুন ধরে যাওয়ার পর মস্কভাকে বন্দরে টেনে নেওয়া হচ্ছিল। ওই সময় সাগর উত্তাল থাকায় ডুবে যায় মিসাইল ক্রুজারটি। তবে ইউক্রেনের দাবি, মস্কভায় তারা জাহাজবিধ্বংসী দুটি নেপচুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল।

রাশিয়ার কৃষ্ণসাগর বহরের নেতৃত্বে ছিল মস্কভা। যুদ্ধজাহাজটি হারানো রাশিয়ার জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে জাহাজে আগুন ধরে যাওয়া ও ডুবে যাওয়ার ঘটনায় এত দিন হতাহত হওয়ার কোনো কথা জানায়নি রাশিয়া। এ নিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে দ্বিতীয় কোনো বড় যুদ্ধজাহাজ হারাল রাশিয়া।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছিল, এ ঘটনায় হতাহত হয়েছে বলে মনে করে ওয়াশিংটন। ইউক্রেনের দাবি, যুদ্ধজাহাজটির ক্যাপ্টেন আন্তোন কুপরিন সেখানে নিহত হয়েছেন।

১২ হাজার ৪৯০ টনের মস্কভা হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ডুবে যাওয়া সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ। সিরিয়ার যুদ্ধেও মিসাইল ক্রুজারটি মোতায়েন করেছিল রাশিয়া। মস্কভাকে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর শক্তির প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হতো।
রুশ সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, মস্কভা ১৯৮৩ সালে কমিশন লাভ করে। এ যুদ্ধজাহাজ ৭০০ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানতে সক্ষম ১৬টি ভুলকান ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সজ্জিত ছিল। এ ছাড়া এতে ছিল সাবমেরিনবিধ্বংসী ও মাইন-টর্পেডো অস্ত্র।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রাশিয়া। ইউক্রেনে হামলায় রুশ নৌবাহিনীর কৃষ্ণসাগর বহরের নেতৃত্ব দিচ্ছিল মস্কভা। যুদ্ধজাহাজটি ডুবে যাওয়ার পর ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে হামলা জোরদার করে রুশ বাহিনী।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন