বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খবরে বলা হয়, এলাকায় নতুন ডাকপিয়ন আসার পরই ধরা পড়েন ছেলে। পেনশনের অর্থ দিতে নতুন ডাকপিয়ন বৃদ্ধার বাড়িতে যান। তিনি ওই বৃদ্ধার সঙ্গে দেখা করতে চান। কিন্তু বৃদ্ধার সঙ্গে ডাকপিয়নকে দেখা করিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানান ছেলে। ডাকপিয়ন বৃদ্ধার দেখা না পাওয়ায় বিষয়টি তদন্ত পর্যায়ে গড়ায়। তারপরই ছেলের প্রতারণার বিষয়টি সামনে আসে।

অস্ট্রিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ওআরএফকে পুলিশ জানিয়েছে, মায়ের মৃত্যুর পর ছেলে এ খবর গোপন রাখেন। মরদেহের পচন ও দুর্গন্ধ ছড়ানো বন্ধে তিনি নানা কৌশল ব্যবহার করেন। ফলে মরদেহ অনেকটা মমির মতো হয়ে গিয়েছিল। পরে তিনি তাঁর মায়ের মরদেহ বাড়ির বেসমেন্টে লুকিয়ে রাখেন।

ধরা পড়ার পর ওই ব্যক্তি সবকিছু স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তা হেলমুথ গাফলার। পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন যে তাঁর আয়ের কোনো পথ ছিল না। মায়ের মৃত্যুর পর তাঁর পেনশনের অর্থ বন্ধ হয়ে গেলে তিনি চলতে-ফিরতে পারতেন না। বাসা ভাড়া দিতে পারতেন না। এমনকি মায়ের শেষকৃত্যও করতে পারতেন না।

মায়ের মৃত্যুর খবর পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে কীভাবে লুকিয়েছেন, তা–ও পুলিশকে জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি। তিনি তাঁর ভাইকে জানান, মা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি কাউকে চিনতে পারছেন না। তাই মায়ের সঙ্গে দেখা করা অতটা জরুরি নয়।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন