ঋষি সুনাক আরও লিখেছেন, ‘জনগণ ন্যায়সঙ্গতভাবে আশা করে সঠিকভাবে,দক্ষতার সঙ্গে ও গুরুত্ব সহকারে সরকার পরিচালনা করা হবে। আমি বিশ্বাস করি যে, এসব মানদণ্ডের জন্য লড়াই করা জরুরি। আর এজন্যই আমি পদত্যাগ করেছি।’

অন্যদিকে সাজিদ জাভিদ জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ওপর তাঁর আস্থা নেই। তিনি আর বিশ্বাস করেন না যে, একের পর এক কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়ার কারণে জাতীয় স্বার্থ রক্ষার সক্ষমতা বরিস জনসনের রয়েছে। তাই তিনি আর জনসনের সরকারে থাকতে চান না।

করোনার বিধি লঙ্ঘন করে একাধিক পার্টি আয়োজন করে সমালোচিত হয়েছিলেন বরিস জনসন। এজন্য প্রকাশ্যে ক্ষমাও চেয়েছিলেন তিনি। তবে বিষয়টি নিয়ে পদত্যাগের চাপে ছিলেন তিনি। যদিও তিনি পার্লামেন্টে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবে উতরে যান।

তবে সরকার পরিচালনায় বরিস জনসনের সক্ষমতা নিয়ে নিজ দল ও দলের বাইরে তাঁর ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। সম্প্রতি নতুন করে কেলেঙ্কারিতে জড়িয়েছেন তিনি। রক্ষণশীল দলের এমপি ক্রিস পিঞ্চারের বিরুদ্ধে যৌন অসদাচরণের অভিযোগ সম্পর্কে আগে থেকেই জানতেন বরিস জনসন। এর পরও তাঁকে সরকারের ডেপুটি চীফ হুইপ করেন প্রধানমন্ত্রী জনসন।

এ ঘটনা প্রকাশ্যে এলে আবারও ক্ষমা চান বরিস জনসন। তবে নিজ দল থেকেই এবার তাঁর পদত্যাগের দাবি উঠেছে। এটা নিয়ে ভীষণ চাপে রয়েছেন তিনি। এর মধ্যেই সরকারের প্রভাবশালী দুই মন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা তাঁর প্রধানমন্ত্রীর পদ রক্ষার চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন