বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ক্রিমিয়ায় রাশিয়া তার দখলদারি প্রতিষ্ঠা করলেও যুক্তরাজ্য ও বিশ্বের অধিকাংশ দেশ এ উপদ্বীপকে ইউক্রেনের অংশ হিসেবেই স্বীকৃতি দেয়।
ভোটারদের সঙ্গে বার্ষিক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া পুতিনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, বর্তমান এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে বিশ্ববাসী তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্ত কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই না।’ তিনি আরও বলেন, ‘যদি আমরা ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়েও দিতাম, তবু বিশ্ব তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্মুখীন—এটা কল্পনা করা যেত না। কেননা যারা উসকানি দিচ্ছে, তারা জানে এ যুদ্ধে তারা জিতবে না।’

জবাবে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই না।’ তিনি আরও বলেন, ‘যদি আমরা ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়েও দিতাম, তবু বিশ্ব তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্মুখীন—এটা কল্পনা করা যেত না। কেননা যারা উসকানি দিচ্ছে, তারা জানে এ যুদ্ধে তারা জিতবে না।’

এই উসকানির পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য উভয় দেশ রয়েছে অভিযোগ করে প্রেসিডেন্ট পুতিন আরও বলেন, ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজের অনুপ্রবেশের ঘটনায় রাশিয়ার সাড়া কেমন হয়, তা দেখতে একই দিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা বিমান গ্রিস থেকে আকাশে উড্ডয়ন করেছিল। তিনি বলেন, এ ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। কেননা জেনেভায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে বৈঠক করার পরই ওই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন