বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মার্চে লন্ডনের রাস্তা থেকে সারাহ এভরার্ড নামের এক নারীকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। ওয়েন কোজেন্স নামের এক পুলিশ কর্মকর্তা ৩৩ বছর বয়সী সারাহ এভরার্ডকে অপহরণ করেন। পরে সারাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর থেকে জনসমাগম স্থলে নারীদের নিরাপত্তার অভাব নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের পর নারীদের নিরাপত্তাসংক্রান্ত আইন আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দেয় ব্রিটিশ সরকার। এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বেশ কিছু প্রস্তাব আনতে যাচ্ছে সরকার।

সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রীতি প্যাটেল বলেন, নারীদের দেখে শিস দেওয়ার মতো হয়রানিকেও আলাদা অপরাধ হিসেবে ধরা হবে। রাস্তায় নারীদের হয়রানি বন্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। এ–সংক্রান্ত বর্তমান আইনের ফাঁকফোকরগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হয়রানির অভিযোগগুলো আইন কীভাবে শনাক্ত করবে, তা–ও নজরে রাখা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, আইনগুলো শুধু খাতাকলমে থাকবে এমন নয়। সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। নারীদের উদ্বেগের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হবে।’

সরকারের আনা প্রস্তাব অনুযায়ী, নারীদের বিরুদ্ধে পুরুষের হয়রানি বন্ধে পুলিশের নতুন একটি শাখা খোলা হবে। এ ছাড়া গণপরিবহনে হয়রানি বন্ধে দুজন পুলিশ কর্মকর্তা মোতায়েন করা হবে। যদিও এ ধরনের পদক্ষেপগুলো যথেষ্ট নয় বলে উল্লেখ করেছেন নারী অধিকারকর্মীরা।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে সাম্প্রতিক সময়ে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণের হার নাটকীয়ভাবে কমেছে। একই সঙ্গে বেড়েছে যৌন হয়রানির অভিযোগ নিয়ে আসা নারীদের সংখ্যা। এ নিয়ে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছে দেশটির সরকার ও পুলিশ।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন