কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিনিক্স ঘোস্ট এক ধরনের মানববিহীন বোমারু বিমান (ড্রোন)। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান অ্যায়েভেক্স অ্যারোস্পেস বিশেষ এই ড্রোন তৈরি করেছে। পূর্ব ইউক্রেনের দনবাসে অঞ্চলে হামলা চালানোর জন্য এই ড্রোন বিশেষ সক্ষমতা সম্পন্ন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি।

পূর্ব ইউক্রেনের লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক অঞ্চল নিয়ে গঠিত দনবাস। খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এই অঞ্চলে সমতল ভূমি যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে পার্বত্য এলাকা। পেন্টাগনের মুখপাত্র কিরবি গত বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, পাহাড়ের খাঁজে অবস্থান নিয়ে থাকা লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর সক্ষমতা রয়েছে ফিনিক্স ঘোস্টের।

ফিনিক্স ঘোস্টের সঙ্গে ‘সুইচব্লেড’ নামের যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি আরেকটি ড্রোনের মিল রয়েছে বলে জানান জন কিরবি। এই ড্রোন মূলত আত্মঘাতী হামলা চালানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। ইউক্রেনে রুশ বাহিনীকে প্রতিরোধে বড় ভূমিকা রেখে আসছে এই সুইচব্লেড এবং তুরস্কের তৈরি ‘বেরাকতার টিবি-২’ ড্রোন।

ফিনিক্স ঘোস্ট নিয়ে বিস্তারিত জানাননি জন কিরবি। এই ড্রোন কত দূরত্বে গিয়ে হামলা চালাতে পারে এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর ক্ষেত্রে এটির সক্ষমতা কতটা তাও সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়নি।

জন কিরবি জানিয়েছেন, এসব ড্রোনে ক্যামেরা থাকবে। এর মাধ্যমে ড্রোনটি যেখানে অবস্থান করবে, সেখানের চিত্র উঠে আসবে। তবে এর মূল লক্ষ্য হবে হামলা চালানো।
পেন্টাগনের মুখপাত্রের ভাষ্য মতে, ড্রোনগুলো এখনও ইউক্রেনের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। শিগগিরই সেগুলো পাঠানো হবে তাঁর কথায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রাশিয়া। এর আগে থেকেই বিশেষ এই ড্রোন তৈরিতে কাজ চলার কথা জানিয়েছেন জন কিরবি। তিনি বলেন, ইউক্রেনের সেনাদের চাহিদা অনুযায়ী পূর্ব ইউক্রেনে লড়াইয়ের জন্য উপযোগী সমরাস্ত্র তৈরির কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন তারা।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন