এমন অবস্থায় স্থানীয় সময় রোববার রাশিয়া-ওয়ান টিভি চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। এ সময় তিনি বলেন, জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে আপত্তি নেই পুতিনের। তবে এর জন্য কিছু বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। পেসকভ বলেন, ‘না, পুতিন কখনো বৈঠকের ব্যাপারে না করেননি। পুতিন কখনোই এ ধরনের বৈঠকের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি এবং এ ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। হ্যাঁ, অনুমানের ভিত্তিতে বলা যায়, এ বৈঠক হতে পারে।’

দিমিত্রি পেসকভ আরও বলেন, বৈঠকটি আয়োজনের আগে দুই প্রতিনিধিদলের উচিত সুনির্দিষ্ট নথি তৈরি করা। নিছক কিছু পরিকল্পনা নয়, বরং সুনির্দিষ্টভাবে লিখিত নথি থাকতে হবে। তারপরই এ ধরনের বৈঠক আয়োজন করা সম্ভব হবে।

ইউক্রেন নতুন দ্বিপক্ষীয় চুক্তি বাস্তবায়ন করবে কি না, সে ব্যাপারে রাশিয়া কীভাবে নিশ্চিত হবে, তা নিয়ে পেসকভের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। জবাবে তিনি বলেন, ‘এ অভিজ্ঞতা (ইউক্রেন তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করে না) আমাদের আছে। কথাটি আমাদের মনে আছে, খুব ভালোভাবেই মনে আছে এবং আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।’

দুই দেশের আলোচনায় ইউক্রেনের প্রধান মধ্যস্থতাকারী ডেভিড আরাখামিয়া গত শনিবার বলেন, পুতিন ও জেলেনস্কির মধ্যকার বৈঠক আয়োজন নিয়ে চলমান আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে। আরাখামিয়া আরও বলেন, ক্রিমিয়া ছাড়া সব ইস্যুতে ইউক্রেনের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে রাশিয়া। তাঁর দাবি, দুই প্রেসিডেন্টের সরাসরি আলোচনায় অংশ নেওয়ার মতো করে খসড়া নথিগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে এ নথির বাইরেও বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কাজ চলছে।

এদিকে নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে রাশিয়ার প্রধান মধ্যস্থতাকারী ভ্লাদিমির মেদিনেস্কি বলেছেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে বৈঠকের জন্য কোনো খসড়া নথি প্রস্তুত হয়নি। তিনি আরও বলেছেন, দুই দেশের শীর্ষপর্যায়ের নেতাদের মধ্যে বৈঠকের সময় এখনো আসেনি।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন