পরে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্র কুলেবাও তুরস্কে যান। তার আগে তিনি একটি ভিডিও বার্তা দেন। কুলেবা তাঁর ভিডিও বার্তায় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেছেন, দোষারোপের দৃষ্টিভঙ্গি বাদ দিয়ে শুভচিন্তা নিয়ে আলোচনায় বসতে হবে।

অন্যদিক গতকাল রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেন, ইউক্রেনকে জোটনিরপেক্ষ করার লক্ষ্য অর্জন নিশ্চিত করবে মস্কো। আলোচনার মাধ্যমেই তা অর্জন করার পক্ষে তারা।

বৈঠকে লাভরভ ও কুলেবার সঙ্গে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাভাসগলুর অংশ নেওয়ার কথা। এ আলোচনায় মধ্যস্থতার ভূমিকায় রয়েছে তুরস্ক।

আন্তালিয়ার এ আলোচনার মধ্য দিয়ে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দরজা খুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

তুরস্কে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ আলোচনা নিয়ে আশাবাদী মধ্যস্থতায় ভূমিকা রাখা আরেক পক্ষ ইসরায়েল। ইসরায়েলের কর্মকর্তারা বলেছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয়ের অবস্থান আগের চেয়ে নমনীয় হয়েছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে শুধু দনবাস অঞ্চলকে নিরস্ত্রীকরণের কথা বলা হচ্ছে।

আগে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের মধ্যে বেলারুশ সীমান্তে তিন দফার শান্তি আলোচনা হয়। কিন্তু এ আলোচনার অগ্রগতি সামান্য।

ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযান আজ (১০ মার্চ) ১৫তম দিনে গড়িয়েছে। তুরস্কে শান্তি আলোচনা শুরুর প্রাক্কালে গতকাল রাতেও ইউক্রেনে রুশ হামলা অব্যাহত ছিল।